চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও টেবুলেশন শিট বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. ফারুক আহম্মেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বোর্ডের আওতাধীন আটটি আঞ্চলিক কার্যালয়ে ইতিমধ্যেই এসব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা অঞ্চলের মাদ্রাসাগুলো বকশীবাজারে অবস্থিত বোর্ডের প্রধান কার্যালয়ের দাখিল শাখা থেকে এই নম্বরপত্র ও টেবুলেশন শিট সংগ্রহ করতে পারবে। সময়সূচি অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, গাজীপুর, নরসিংদী, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, মুন্সিগঞ্জ, ঢাকা ও মানিকগঞ্জ জেলার প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর এই দুই দিনের মধ্যে কাগজপত্র সংগ্রহের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অন্যান্য অঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ভিন্ন সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের আওতাভুক্ত জেলাগুলোর মাদ্রাসা প্রধান বা তাদের মনোনীত প্রতিনিধিরা ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর—এই তিন দিনের মধ্যে নিজ নিজ আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে ট্রান্সক্রিপ্ট ও টেবুলেশন শিট সংগ্রহ করতে পারবেন।
কাগজপত্র সংগ্রহের ক্ষেত্রে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে। প্রতিটি মাদ্রাসাকে নিজস্ব প্যাডে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর আবেদন করতে হবে। ঢাকা অঞ্চলের ক্ষেত্রে মাদ্রাসা প্রধান নিজে অথবা তার মনোনীত প্রতিনিধি তিনটি সত্যায়িত নমুনা স্বাক্ষরসহ যথাযথ প্রাধিকারপত্র নিয়ে বোর্ডে উপস্থিত হবেন। অন্যান্য অঞ্চলের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
আবেদনের বিষয়ে বিশেষ শর্তারোপ করা হয়েছে। মাদ্রাসা প্রধান বা তার মনোনীত প্রতিনিধির আবেদনে অবশ্যই প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অথবা সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) প্রতিস্বাক্ষর থাকতে হবে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত শর্ত ও নিয়মাবলি পূরণ না করলে কোনো প্রতিষ্ঠানকে একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও টেবুলেশন শিট সরবরাহ করা হবে না।

