কানাডায় নির্মাণাধীন ‘ভায়োলেন্স’ নামক একটি সিনেমায় অভিনয়ের কথা ছিল বর্তমান প্রজন্মের চিত্রনায়িকা অধরা খানের। তবে সিনেমার পরিচালকের অপেশাদার আচরণের কারণে শেষ পর্যন্ত নিজেকে প্রজেক্টটি থেকে সরিয়ে নিয়েছেন তিনি। এতদিন বিষয়টি নিয়ে অধরা নীরব থাকলেও সংশ্লিষ্ট পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না আসায় অবশেষে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, সিনেমাটির শুটিং বা সহশিল্পীদের কাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় এতদিন চুপ ছিলেন। তবে এই ঘটনা তাকে বড় ধরনের আর্থিক ও পেশাগত ক্ষতির মুখে ফেলেছে।
অধরা জানান, ভায়োলেন্স সিনেমার শিডিউল ঠিক রাখতে গিয়ে হলিউডের একাধিক আন্তর্জাতিক কাজের সুযোগ তাকে হারাতে হয়েছে। যদিও চুক্তিগত গোপনীয়তার কারণে সেসব প্রজেক্টের বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া অন্য কাজের সময়সূচি ও পেশাগত প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারায় নিজের কাস্টিং ডিরেক্টর ও এজেন্সির কাছ থেকেও সতর্কবার্তা পেতে হয়েছে তাকে। শুটিংয়ের মাত্র একদিন আগে যোগাযোগের চেষ্টার বিষয়টি অত্যন্ত হতাশাজনক ছিল বলে অভিযোগ করেন অধরা।
বাংলা সিনেমার প্রতি আবেগ থেকেই তিনি এই প্রজেক্টে যুক্ত হয়েছিলেন, তবে বর্তমান অভিজ্ঞতায় তিনি বেশ হতাশ। পেশাদারিত্ব ও পারস্পরিক সম্মানের অভাব থাকায় এই প্রজেক্টে যুক্ত হওয়াকে নিজের ক্যারিয়ারের ভুল হিসেবে উল্লেখ করে অধরা বলেন, এই ঘটনা তার জন্য একটি বড় শিক্ষা হয়ে থাকবে। এদিকে, বর্তমানে নতুন কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রজেক্টের সাথে যুক্ত হয়েছেন অধরা খান। দ্রুতই আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি নতুন কাজের বিস্তারিত ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন। দ্রুতই সেগুলো একে একে সামনে আনবেন বলে জানান তিনি। যথাযথ পেশাদারিত্ব, যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্মানের বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে বিবেচনা না করে এই প্রজেক্টে যুক্ত হওয়াকে আমি আমার ক্যারিয়ারের একটি বড় ‘ভুল’ হিসেবেও দেখছি।

