ব্যারিস্টার জান্নাতুল পিয়া নিজের জন্মদিনে জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোকপাত করেছেন। তিনি জানান, জীবনে সাফল্য, চ্যালেঞ্জ ও অসংখ্য স্মৃতির পাশাপাশি সন্তান ‘এরস’ (Ares)-এর জন্মের পর থেকে তাঁর জীবন দেখার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হয়েছে। তিনি মনে করেন, সন্তানের জন্মের পরবর্তী সময়টুকু স্রষ্টার বিশেষ উপহার। কাজের ব্যস্ততা ও দায়িত্বের বেড়াজালে ক্লান্তি এলেও তিনি সন্তানকে সর্বোচ্চ সময় ও ভালোবাসা দেওয়ার চেষ্টা করেন। মা হওয়া ও কর্মজীবনের ভারসাম্য রক্ষা করতে গিয়ে তিনি প্রতিনিয়ত নতুন শিক্ষা লাভ করছেন। সহজ না হলেও এই জীবনযাত্রার প্রতি তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।
জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের একটি প্রতিনিধিদল বৈঠক করেছে।
- টঙ্গীতে এসেনশিয়াল ড্রাগসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট কাজ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
জন্মদিন প্রসঙ্গে পিয়া আরও বলেন, যারা তাঁকে ভালোবাসেন এবং সবসময় পাশে থেকে অনুপ্রেরণা জোগান, তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। জীবনের এই পর্যায়ে তিনি নিজেকে আরও অভিজ্ঞ, তবে কিছুটা ক্লান্ত অনুভব করেন। তবুও সবকিছুর ঊর্ধ্বে জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞতা তাঁর প্রধান অনুভব। ভবিষ্যতে আরও মানবিক ও শক্ত মানুষ হয়ে ওঠার স্বপ্ন নিয়ে তিনি এগিয়ে চলছেন। এখনো অনেক কিছু শেখার এবং স্বপ্ন পূরণের বাকি রয়েছে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন। টঙ্গীতে এসেনশিয়াল ড্রাগসে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১১ ইউনিট। তবে Ares জন্মানোর পর থেকে আমি সবসময় একটা কথা বলি, আল্লাহ আমাকে এর পরে যা কিছু দেবেন, সবই আমার জন্য বাড়তি পাওয়া। কারণ জীবনের সবচেয়ে বড় উপহারটা আমি ইতিমধ্যেই পেয়ে গেছি। আজকাল আমার জীবনটা অনেকটা এই ছবির মতোই।

