ফাইনালে রেকর্ড গড়ে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান, লাহোরে লঙ্কাবধ

লাহোরের গদ্দাফি স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে তিন উইকেটে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তুলেছে পাকিস্তান।

৩২৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শাহিন শাহ আফ্রিদির দল যে জয় পেয়েছে, তা কেবল শিরোপা নির্ধারণী ছিল না, বরং রেকর্ড বইয়েও নতুন করে জায়গা করে নিয়েছে।

২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর এটি পাকিস্তানের প্রথম বহুজাতিক ওয়ানডে টুর্নামেন্ট জয়ের ঘটনা।

রেকর্ড ও মাইলফলকসমূহ

  • যৌথভাবে সর্বোচ্চ রান তাড়া: ওয়ানডে টুর্নামেন্টের ফাইনালে ৩২৬ রান তাড়া করে জয় পাওয়ার ক্ষেত্রে পাকিস্তান এখন তালিকার শীর্ষে। এর আগে ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারত এই লক্ষ্য তাড়া করেছিল।
  • সর্বোচ্চ দলীয় রান: ফাইনালে দুই দলের সম্মিলিত রান ৬টি ৫৬, যা ত্রিদেশীয় সিরিজ বা ওয়ানডে টুর্নামেন্টের ফাইনালে সর্বোচ্চ। আগের রেকর্ড ছিল ভারত ও ইংল্যান্ডের ৬টি ৫১ রান।
  • ব্যক্তিগত অর্জন: ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে দুটি সেঞ্চুরি করা পাকিস্তানের দ্বিতীয় ব্যাটার হলেন ফখর জামান। এর আগে কেবল সাঈদ আনোয়ারের এই কীর্তি ছিল।
  • রান তাড়া ও সেঞ্চুরি: ওয়ানডেতে ৩০০-এর বেশি রান তাড়া করতে গিয়ে ফখরের সেঞ্চুরি সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারটি, যা পাকিস্তানি ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ। বাবর আজম ও ইউনিস খানের সেঞ্চুরি তিনটি করে।
  • দ্রুততম চার হাজার রান: ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৯৬তম ইনিংসে ফখর চার হাজার রান পূর্ণ করেছেন। তার চেয়ে দ্রুত এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন কেবল বাবর আজম (৮২ ইনিংস)।
  • নকআউট ম্যাচে সংগ্রহ: ওয়ানডে নকআউট ম্যাচে এটি পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ (৩৩১)। ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে তারা ৩৩৮ রান করেছিল।
  • শ্রীলঙ্কার লড়াই: ফাইনালে কামিন্দু মেন্ডিসের ১৩১ রানের ইনিংসটি ওয়ানডে ফাইনালে শ্রীলঙ্কার তৃতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • ৬৫৬: ফাইনালে দুদলের সম্মিলিত রান। ত্রিদেশীয় সিরিজ কিংবা ওয়ানডে টুর্নামেন্টের ফাইনালে এটিই সর্বোচ্চ। আগের রেকর্ড ছিল ভারত-ইংল্যান্ডের ৬৫১ রান।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • ৯ বছর: ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর প্রথমবার বহুজাতিক ওয়ানডে টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতল পাকিস্তান।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • ২: ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ বা টুর্নামেন্টের ফাইনালে দুটি সেঞ্চুরি করা পাকিস্তানের দ্বিতীয় ব্যাটার ফখর জামান। এর আগে এই কীর্তি ছিল শুধু সাঈদ আনোয়ারের।