নিজে গোল করার পাশাপাশি সতীর্থের গোলে সহায়তা করে ইন্টার মিয়ামিকে রোমাঞ্চকর এক জয় এনে দিলেন লিওনেল মেসি। ফক্সবরোর জিলেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এমএলএসের ম্যাচে নিউ ইংল্যান্ড রেভল্যুশনের বিপক্ষে এক গোলে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে মিয়ামি। বিরতির পর ৫৩ মিনিটে ড্যানিয়েল গাজদাগের গোলে নিউ ইংল্যান্ড এগিয়ে গিয়েছিল। ইলে ফেইনগোল্ড ও পেটন মিলারের সমন্বিত আক্রমণের ফসল হিসেবে সেই গোলটি আসে। বাংলাদেশ সময় সোমবার সকালে ফক্সবরোর জিলেট স্টেডিয়ামে এমএলএসের ম্যাচে প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি।
পিছিয়ে পড়া মিয়ামি সমতায় ফেরে ৬৯ মিনিটে।
তেলাস্কো সেগোভিয়ার বাড়ানো বল মেসি মাথার পেছনের অংশে স্পর্শ করিয়ে জার্মান বেরতেরামের পথে বাড়িয়ে দেন। সেই বল থেকে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন এই মেক্সিকান ফরোয়ার্ড। ম্যাচে ফিরে আসার পর মিয়ামি জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ৮৩ মিনিটে বক্সের বাইরে বল পেয়ে একাধিক প্রতিপক্ষের বাধা কাটিয়ে দারুণ বাঁ পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন মেসি। এটি চলতি মৌসুমে তাঁর ২৬তম গোল, যা তাঁকে লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রাখতে সাহায্য করেছে। এক গোলে অবদান রাখার পর নিজেই করেছেন জয়সূচক গোল। এরপর জয়সূচক গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় ৮৩ মিনিট পর্যন্ত।
ম্যাচের ৮৭ মিনিটে নিজেদের জালে বল পাঠিয়ে দেন মিয়ামির ইয়ান ফ্রে। তবে ভিএআর প্রযুক্তিতে যাচাইয়ের পর অফসাইডের কারণে সেই গোলটি বাতিল করা হয়। শেষ পর্যন্ত মেসির সেই গোলটিই ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দেয়। এই জয়ে ৩৩ ম্যাচে ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে ইন্টার মিয়ামি এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকায় দুই নম্বরে উঠে এসেছে। অন্যদিকে, ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে তিনে নেমে গেছে নিউ ইংল্যান্ড রেভল্যুশন। নিয়মিত মৌসুমের শেষ ম্যাচে মিয়ামির প্রতিপক্ষ শার্লট এফসি।

