অমিতের দুর্দান্ত ডাবল সেঞ্চুরিতে ঢাকা ও সিলেটের জয়যাত্রা

জাতীয় ক্রিকেট লীগের চতুর্থ রাউন্ডে ব্যাটারদের আধিপত্য দেখা গেছে। এই রাউন্ডে তিন ব্যাটার ডাবল সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। শেষ দিনে এই কৃতিত্ব দেখান সিলেটের ব্যাটার অমিত হাসান। জাতীয় দলে সম্প্রতি অভিষেক হওয়া অমিত ৩৩৫ বল মোকাবিলা করে ২০১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন। তার এই দুর্দান্ত ইনিংসে ছিল ১৬টি চার ও ২টি ছক্কা। এদিকে, রাজশাহীকে ইনিংস ও ১০৩ রানে পরাজিত করে ঢাকা নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে। পয়েন্ট টেবিলে চার রাউন্ড শেষে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে খুলনা। ১৫ পয়েন্ট নিয়ে ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, আর ১১ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে চট্টগ্রাম। অন্যদিকে, চার ম্যাচে মাত্র ২ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার তলানিতে রয়েছে বরিশাল। ৩৩৫ বলে ২০১* রানের ইনিংস খেলেন সাদা পোশাকে কিছুদিন আগে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া এ ক্রিকেটার। ২০১ রানের অপরাজিত ইনিংসে ছিল ১৬ চার ও ২টি ছক্কা।

কক্সবাজারে খুলনার বিপক্ষে শেষ দিনে ১৭১ রানে অপরাজিত থেকে ব্যাটিং শুরু করেন অমিত। তার সঙ্গী আশরাফুল হাসান রিহাদ ১০১ রানে অপরাজিত ছিলেন। রিহাদ আর মাত্র ১৩ রান যোগ করেই সাজঘরে ফেরেন। তোফায়েল আহমেদ ক্রিজে বেশিক্ষণ टिकতে না পারলেও অমিত তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেন। সিলেট ৬ উইকেটে ৬৩২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। এরপর ম্যাচটি ড্র মেনে নেন দুই অধিনায়ক। বগুড়ায় ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রামের মধ্যকার ম্যাচটিও ড্র হয়েছে। সেখানে ময়মনসিংহ প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেটে ৪৬৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেছিল। জবাবে চট্টগ্রাম ৫৯৯ রান করে। দ্বিতীয় ইনিংসে ময়মনসিংহ ৬১ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে। এছাড়া সিলেট একাডেমি মাঠে রংপুর ও বরিশালের ম্যাচটিও অমীমাংসিত থাকে। রংপুর প্রথম ইনিংসে ৪০২ রান করে, জবাবে বরিশাল ৯ উইকেটে ৪৪৩ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা দেয়। পরে দ্বিতীয় ইনিংসে রংপুর ৫ উইকেটে ২৮৮ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ৭ উইকেটে ১৯৯ রান তোলার পর দুই অধিনায়ক ম্যাচটি ড্র মেনে নেন।