ফিফা প্রীতি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্রিসবেনের সানকর্প স্টেডিয়ামে ৪-২ গোলের দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে ব্রাজিল। ৫২,০০০ দর্শকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে রেকর্ড গড়লেও বড় ধাক্কা খেয়েছে সেলেসাওরা। ডান উরুর চোটের কারণে হাফটাইমেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে দলের আক্রমণভাগের প্রাণভোমরা রাফিনহাকে। চলতি মৌসুমে দারুণ ফর্মে থাকা এই ফরোয়ার্ড ১৪ গোল করায় বার্সেলোনার জন্য তার এই চোট বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন সিবিএফ জানিয়েছে, অস্বস্তি বোধ করায় তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে। ৫২,০০০ দর্শকের উপস্থিতিতে এটি ব্রিসবেনে সর্বকালের সর্বোচ্চ ফুটবল দর্শক সমাগমের রেকর্ড গড়ে। তবে ম্যাচ শেষে ক্রীড়াপ্রেমী ও সংবাদমাধ্যমের আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ব্রাজিলিয়ান অধিনায়ক রাফিনিয়ার চোট শঙ্কা। স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাবটির জন্য এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। কারণ চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ফর্মে থেকে ইতোমধ্যে সব প্রতিযোগিতায় ১৪টি গোল করেছেন এই ফরোয়ার্ড।
ম্যাচ শুরুর মাত্র তিন মিনিটের মাথায় ভ্যান্ডারসনের গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। তবে ২৯ মিনিটে আলেসান্দ্রো সারকাটির ফ্লিকে সমতা ফেরায় স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। এর চার মিনিট পর ৩৩ মিনিটে কনর মেটকালফের দূরপাল্লার শটে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সকারুজরা। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে হ্যারি সাউটার ডি-বক্সে ফাউল করলে ভিএআর ও রেফারির সিদ্বান্তে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। স্পটকিক থেকে গোল করে ২-২ সমতা ফেরান অধিনায়ক রাফিনহা। প্রথমার্ধের শেষ দিকে পা পিছলে পড়ে যাওয়ার পরই মূলত তিনি অস্বস্তিতে পড়েন। ঘরের মাঠে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে একবার এগিয়েও যায় সকারুজরা। তবে দমে না গিয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় সকারুজ খ্যাত অস্ট্রেলিয়া দল। এর মাধ্যমে ২-২ সমতায় প্রথমার্ধ শেষ হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে খেলায় পূর্ণ আধিপত্য বিস্তার করে ব্রাজিল। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা এন্ড্রিকের নিখুঁত পাস থেকে দারুণ ফিনিশিং করে দলকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ব্রুনো গিমারায়েস। এরপর ৮০ মিনিটে ডি-বক্সে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ফাউলের শিকার হলে আবারও পেনাল্টি পায় সেলেসাওরা। নিজে নেওয়া স্পট কিক থেকে বল জালে জড়িয়ে ব্যবধান ৪-২ করেন ভিনিসিয়ুস। শেষ পর্যন্ত এই জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল।

