অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ব্যাটার ক্রিস লিনকে এক মাসের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) ক্রিকেট রেগুলেটর। গত ১৮ জুলাই টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টের ফাইনালসের দিন লিনের করা ড্রাগ টেস্টে কোকেইনের অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছিল। সেই সময় তিনি নর্দাম্পটনশায়ারের হয়ে খেলছিলেন। লিন এই শাস্তির বিষয়টি মেনে নিয়েছেন।
ক্রিকেট রেগুলেটরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, লিনের প্রস্রাবের নমুনা ফ্রান্সের ওয়াডা স্বীকৃত ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পর কোকেইনের মেটাবোলাইট বেনজোয়েলকোগনিন শনাক্ত হয়েছে। ২০২৬ সালের ওয়াডার নিষিদ্ধ তালিকায় কোকেইন একটি স্টিমুল্যান্ট হিসেবে চিহ্নিত। এটি এমন একটি পদার্থ যা কেবল প্রতিযোগিতার সময় নিষিদ্ধ এবং একইসাথে এটি ‘সাবস্ট্যান্স অব অ্যাবিউজ’ বা অপব্যবহারযোগ্য পদার্থ হিসেবেও স্বীকৃত।
গত ৩১ জুলাই ক্রিকেট রেগুলেটর লিনকে পরীক্ষার ফলাফল জানিয়ে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেয়। এর প্রেক্ষিতে ২০ আগস্ট লিন অভিযোগের জবাব দিয়ে স্বীকার করেন যে তিনি ১৫ ও ১৬ জুলাই কোকেইন সেবন করেছিলেন। লিন দাবি করেন, তার এই অপরাধটি প্রতিযোগিতার বাইরে সংগঠিত এবং এটি তার ক্রীড়া নৈপুণ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তিনি তার বক্তব্যের সপক্ষে প্রমাণও উপস্থাপন করেন।
পরবর্তীতে ২৩ সেপ্টেম্বর ক্রিকেট রেগুলেটর তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগের নোটিশ পাঠায়। লিনের প্রতিযোগিতার বাইরের সময়ের ঘটনা হিসেবে দেওয়া ব্যাখ্যাগুলো তারা গ্রহণ করেছে। শুরুতে ইসিবির অ্যান্টি-ডোপিং নিয়মের দুটি ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল, কিন্তু লিনের নমুনায় কোকেইনের মাত্রা ওয়াডার নির্ধারিত সর্বনিম্ন সীমার নিচে থাকায় একটি অভিযোগ তুলে নেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে ক্রিকেট রেগুলেটর লিনকে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরিকল্পনা করলেও, তিনি একটি ‘সাবস্ট্যান্স অব অ্যাবিউজ ট্রিটমেন্ট প্রোগ্রাম’ সম্পন্ন করায় তা কমিয়ে এক মাস করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্ত শুরুর এক মাস পর, অর্থাৎ ৩০ আগস্ট এই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হয়েছে বলে গণ্য করা হয়েছে।

