বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলা সম্ভব: মুশতাক আহমেদ

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলমান চক্রে ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা এখনও বজায় রয়েছে বলে মনে করছেন জাতীয় দলের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ। মিরপুরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, বাকি থাকা ম্যাচগুলোতে প্রত্যাশিত সাফল্য পেলে ফাইনাল খেলার স্বপ্ন সত্যি হওয়া সম্ভব। আর এই অর্জনের প্রধান নিয়ামক হবে দলের আত্মবিশ্বাস।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমের সামনে এসে পাকিস্তানের সাবেক এই তারকা লেগস্পিনার বলেন, ইনশাআল্লাহ ফাইনাল খেলা সম্ভব এবং কেন তা হবে না? বর্তমানে দল ভালো অবস্থানে রয়েছে। নিজের সামর্থ্যের ওপর বিশ্বাস রেখে মাঠে খেলতে পারাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

বাংলাদেশ এখন যেকোনো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারিয়ে দেওয়ার মতো অবস্থায় রয়েছে দাবি করে কোচ বলেন, ক্রিকেটারদের স্কিল ও দক্ষতায় কোনো ঘাটতি নেই, দরকার কেবল জয়ের মানসিকতা। এই আত্মবিশ্বাস বজায় রাখতে পারলে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকার মতো পরাশক্তিদের তাদের নিজেদের মাটিতেই হারিয়ে দেওয়া সম্ভব।

সাম্প্রতিক সাফল্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মুশতাক আহমেদ উল্লেখ করেন, পাকিস্তানের মাটিতে ঘাসের উইকেটে দল পরাজয় দেখলেও, নিজেদের মাঠে একই ধরনের কন্ডিশনে তারা পাকিস্তানকে হারিয়েছে। এমনকি সবুজ উইকেটে বাংলাদেশ দলের স্পিনাররা বল টার্ন করাতে সক্ষম হয়েছেন। হারের ভয় পেছনে ফেলে জয়ের মানসিকতা গড়ে তোলাই এখন কোচিং স্টাফদের মূল লক্ষ্য। ক্রিকেটার, কোচ ও নির্বাচকদের যৌথ প্রচেষ্টায় দল যেকোনো পরিস্থিতিতে লড়াইয়ের মানসিক শক্তি অর্জন করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মুশতাক বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে আমরা এখন যে কোনো দলকে হারাতে পারি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: স্কিল আছে, খেলোয়াড় আছে, বিশ্বাসই আছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এই বিশ্বাস থাকলে আপনি অস্ট্রেলিয়াকে অস্ট্রেলিয়ায়, ইংল্যান্ডকে ইংল্যান্ডে, দক্ষিণ আফ্রিকাকে দক্ষিণ আফ্রিকায় হারাবেন।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মুশতাকের মতে, ম্যাচে হারের ভয় থাকলে সাফল্য পাওয়া কঠিন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাই দলের মানসিকতায় পরিবর্তন আনাই কোচিং স্টাফের অন্যতম বড় দায়িত্ব। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দলের এই অগ্রগতির জন্য সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন মুশতাক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁর ভাষায়, এই সাফল্য কারও একার নয়; খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফসহ সবাই একই লক্ষ্যে কাজ করছেন।