মালয়েশিয়ার নেগরি সিমবিলান প্রদেশের পোর্ট ডিকসন জেলায় সহকর্মীদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনায় তিন বাংলাদেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে তামান লিঙ্গির এলাকার একটি বাড়ি থেকে পুলিশ তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় আরও একজন বাংলাদেশি গুরুতর আহত অবস্থায় রেম্বাউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হতাহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নেগরি সিমবিলান পুলিশ প্রধান দাতুক আলজাফনি আহমদ জানান, স্থানীয় সময় সোমবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ওই এলাকায় মারামারির খবর পেয়ে লিঙ্গি থানার একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ৪০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশিকে আটক করেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মারামারির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিরা সবাই সহকর্মী ছিলেন এবং তারা একই বাসায় বসবাস করতেন।
পুলিশ প্রধান আরও জানান, আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লিঙ্গির সুয়া মাঙ্গিস এস্টেট এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। নিহতদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনার নেপথ্যের কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত চলমান রয়েছে। আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পূর্বের কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড নেই বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) আটক ব্যক্তিকে পোর্ট ডিকসন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে। মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম নিউ স্ট্রেইটস টাইমস পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ঘটনাটি একাধিক স্থানে সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে পুরো বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
মালয়েশিয়ায় সহকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে ৩ জন বাংলাদেশি নিহত ও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) দেশটির রাজধানীর অদূরে নেগরি সিমবিলান প্রদেশের পোর্ট ডিকসন জেলার তামান লিঙ্গিরের একটি বাড়ি থেকে বিকেলে লাশ তিনটি উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ।

