বাংলাদেশে ইসলামের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করছেন প্রধানমন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে ইসলামের আদর্শ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছেন। বুধবার সন্ধ্যায় নরসিংদীর পলাশ উপজেলা মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়ামে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেন, কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সহায়তার যে নতুন উদ্যোগ সরকার গ্রহণ করেছে, তা মূলত রাসুল (সা.)-এর শিক্ষার প্রতিফলন।

বর্তমান সরকারের ছয় মাসের কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন করতে গিয়ে ড. মঈন খান বলেন, একটি সরকারের জন্য ছয় মাস খুব বেশি সময় নয়, তবুও এই স্বল্প সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো একে একে বাস্তবায়ন করছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পলাশ উপজেলায় গত ১৭ বছরে যে উন্নয়ন হয়নি, বর্তমান সরকার মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে তার চেয়ে অনেক বেশি কাজ সম্পন্ন করেছে। দুস্থ মানুষের সহায়তা থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট ও মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়নকে তিনি তারেক রহমানের রাষ্ট্রীয় নীতির অংশ হিসেবে অভিহিত করেন। ১৯৯১ সালে বেগম জিয়ার নেতৃত্বে জেলায় বিএনপি যে সাফল্য পেয়েছিল, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই গৌরব পুনরুদ্ধার হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানটি নরসিংদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুস সাত্তারের সভাপতিত্বে এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন ভূঁইয়া মিলটনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ড. মঈন খানের সহধর্মিণী ও দি মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটির চেয়ারপার্সন অ্যাডভোকেট রোখসানা খন্দকার, জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, বিএনপি নেতা ফেরদৌস আহমেদ খোকন, আন্ত:জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি সারোয়ার হোসেন মৃধা এবং বাজার বণিক সমিতির সভাপতি বাবুল সরকারসহ অনেকে।

মন্ত্রী হিসেবে নিজ জেলায় প্রথমবার আগমনের দিনে ড. আব্দুল মঈন খান তার বাবা সাবেক খাদ্যমন্ত্রী মরহুম আবদুল মোমেন খান ও মা খোরশেদা বানুর কবর জিয়ারত করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়া, জেলা পরিষদ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াহাব রাশেদ, পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ফারুকসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, আলেম-ওলামা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। চাকরির আরও তথ্য: বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের কথা তুলে ধরে সমবায়মন্ত্রী বলেন, ‘একটি সরকারের জন্য ৬ মাস কোনো দীর্ঘ সময় নয়। চাকরির আরও তথ্য: এই স্বল্পতম ৬ মাসের ভেতরে তারেক রহমান নির্বাচনী যেসব ওয়াদা করেছিলেন, সেই ওয়াদাগুলো একটি একটি করে পূরণ করেছেন।