দেশের পুঁজিবাজারের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ডাইরেক্ট লিস্টিং বা সরাসরি তালিকাভুক্তি পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এই নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে বাজারে স্বনামধন্য ও ফ্ল্যাগশিপ কোম্পানির উপস্থিতি বাড়ানো সম্ভব হবে, যা সামগ্রিকভাবে বাজারের গভীরতা ও পরিধি সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
সম্প্রতি বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এক সভায় এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় কমিশনের অন্যান্য সদস্যের পাশাপাশি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ (বিএপিএলসি) এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন পর্যায়ের অংশীজনরা ডাইরেক্ট লিস্টিং চালুর বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।
সভায় বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান বলেন, বর্তমানে দেশের পুঁজিবাজারে মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। ভালো মানের কোম্পানিগুলো তালিকাভুক্ত হলে বাজারের সক্ষমতা যেমন বাড়বে, তেমনি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, স্বনামধন্য কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণ বাড়লে পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও অংশগ্রহণ আরও সুসংহত হবে।
এদিকে, দেশের অর্থনৈতিক খাতের অন্যান্য উন্নয়নের অংশ হিসেবে এলএনজি খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগের খবর পাওয়া গেছে। গত ১০ বছরের মধ্যে এটিই এলএনজি খাতে সবচেয়ে বড় চুক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এছাড়া, চলতি মাসেই দেশে সাত জাহাজ সার আমদানির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যা দেশের কৃষি ও শিল্প খাতে প্রয়োজনীয় সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। চাকরির আরও তথ্য: এলএনজিতে রেকর্ড বিনিয়োগ, ১০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় চুক্তি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ডাইরেক্ট লিস্টিং বিধিমালার খসড়ার ওপর অংশীজনদের মতামত নিতে মতবিনিময় সভা করেছে সংস্থাটি।

