চয়নিকা চৌধুরীর রজতজয়ন্তীতে পার্থ-সাদনিমার নতুন নাটক ‘রিহার্সেল’

বাংলাদেশের জনপ্রিয় নাট্যনির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী তার দীর্ঘ পঁচিশ বছরের নির্মাণযাত্রায় সাফল্যের রজতজয়ন্তী অতিক্রম করছেন। ক্যারিয়ারের এই দীর্ঘ সময়ে তিনি উপহার দিয়েছেন অসংখ্য দর্শকনন্দিত নাটক, যা ইউটিউবের কল্যাণে আজও সমান জনপ্রিয়। প্রবীণ কিংবদন্তি থেকে শুরু করে নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা নিয়মিত কাজ করছেন তার নির্দেশনায়। এই ধারাবাহিকতায় তার ক্যারিয়ারের বিশেষ মাইলফলক উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে নতুন নাটক ‘রিহার্সেল’। দীর্ঘ পঁচিশ বছরের সফল পথচলায় তাঁর নির্মিত বহু নাটক ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে, যা আজও দর্শকেরা প্রায়শই ইউটিউবে উপভোগ করেন।

নাটকটির গল্প, সংলাপ ও চিত্রনাট্য লিখেছেন নির্মাতার ছেলে অনন্য প্রতীক চৌধুরী। এতে অভিনয় করেছেন এই প্রজন্মের পরিচিত মুখ পার্থ শেখ এবং বর্তমান সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী সাদনিমা বিনতে নোমান। চয়নিকা চৌধুরীর পরিচালনায় এটিই সাদনিমার প্রথম কাজ। নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, নাটকটি প্রথমে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সম্প্রচারিত হবে। এরপর নন্দিত গীতিকার ও নাট্যকার মো. জামাল হোসেনের ইউটিউব চ্যানেল ‘রঙ্গন এন্টারটেইনমেন্ট’-এ উন্মুক্ত করা হবে।

কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে অভিনেতা পার্থ শেখ জানান, চয়নিকা চৌধুরীর সঙ্গে কাজ করা সবসময়ই আনন্দদায়ক। বিশেষ করে নির্মাতার পঁচিশ বছরের পথচলার স্মারক হিসেবে তৈরি হওয়া এই নাটকটিতে সুযোগ পেয়ে তিনি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছেন। পার্থের মতে, নাটকের চিত্রনাট্য ও পুরো টিমের কাজের পরিবেশ ছিল দারুণ। প্রথমবারের মতো চয়নিকার নির্দেশনায় কাজ করা প্রসঙ্গে সাদনিমা বিনতে নোমান বলেন, আগে কয়েকবার কাজের পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। এবারের বিশেষ কাজটি করতে পেরে তিনি উচ্ছ্বসিত এবং নির্মাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। প্রথমবার চয়নিকা চৌধুরীর নির্দেশনায় কাজ করা নিয়ে অভিনেত্রী সাদনিমা বলেন, “দিদির নির্দেশনায় কাজ করতে পেরে আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। আগে কয়েকবার কাজের কথা হলেও ব্যাটে-বলে মেলেনি।

নিজের নির্মাণজীবনের এই বিশেষ মুহূর্তে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে চয়নিকা চৌধুরী বাংলাদেশের নাটকপ্রেমী দর্শকদের প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন। দর্শকদের ভালোবাসাকেই নিজের এগিয়ে চলার মূল অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি সুব্রত ও রানাকে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি ছেলে অনন্য প্রতীক চৌধুরীকেও আশীর্বাদ করেন, যিনি এই ভিন্নধারার গল্পটি লিখেছেন। দর্শকদের উদ্দেশে চয়নিকা চৌধুরী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নাটকটি দেখার পর দর্শক অবাক হয়ে বলবেন—‘আরে, এমনও হতে পারে!’