রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে সম্প্রতি আয়োজিত হয় শিল্পী, শিক্ষক ও গবেষক প্রিয়াংকা ভট্টাচার্যের একক সংগীতানুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে তিনি রবীন্দ্রসংগীতের আশ্রয়ে প্রেম, বিরহ, প্রকৃতি ও জীবনবোধের নানা আবেগ ফুটিয়ে তোলেন। এই আসরে শিল্পী মোট ১৯টি রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানের শুরু হয় ‘নিভৃত প্রাণের দেবতা’ গানটি দিয়ে। এরপর প্রিয়াংকার কণ্ঠে শোনা যায় ‘ওগো শেফালিবনের মনের কামনা’, ‘আলোর অমলকমলখানি’, ‘খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে’, ‘মাঝে মাঝে তব দেখা পাই’, ‘গভীর রজনী নামিল হৃদয়ে’ এবং ‘কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি’-এর মতো কালজয়ী সব গান। তার কণ্ঠের জাদুতে মূর্ত হয়ে ওঠে প্রকৃতির স্নিগ্ধতা, প্রেমের ব্যাকুলতা, বিরহ এবং স্বাধীনতার গভীর বোধ।
রবীন্দ্রসংগীতের পাশাপাশি টপ্পাসহ সংগীতের অন্যান্য ধারায়ও নিজের দক্ষতা তুলে ধরেন প্রিয়াংকা। তার এদিনের পরিবেশনায় ছিল বাড়তি নান্দনিকতার ছোঁয়া; কারণ মঞ্চসজ্জায় শিল্পী নিজেই নিজ হাতে আল্পনা এঁকেছিলেন। প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করেও মিলনায়তন ছিল শ্রোতাদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে শ্রোতাদের অনুরোধের গানও পরিবেশন করেন শিল্পী। শরতের সেই সুরের সন্ধ্যায় প্রিয়াংকার গায়কিতে মুগ্ধতা ছড়ায় উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মাঝে।

