মিরপুর টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের ২৭ রানের লিড

মিরপুর টেস্টে প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড পেয়েছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের প্রথম ইনিংসে ২৪৫ রানে অলআউট হওয়ার ফলে এই লিড পায় স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের সংগ্রহ ছিল ২৭২ রান। দিনের লাঞ্চ বিরতির ঠিক আগে অফস্পিনার নাঈম হাসানের এলবিডব্লিউর শিকার হয়ে ৪৬ রানে মাঠ ছাড়েন জাস্টিন গ্রেভস। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক রোস্টন চেজ। নাঈম-মিরাজদের ঘূর্ণিতে ২৪৫ রানেই অলআউট হয়ে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চার রানের জন্য হাফসেঞ্চুরি মিস করেন গ্রেভস (৪৬)।স্বীকৃত ব্যাটারদের মধ্যে কেবল ছিলেন কেবল অধিনায়ক রোস্টন চেজ। ক্যারিবীয়রা সেটা পার করে ফেলবে বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু অফস্পিনার নাঈম হাসান শেষের দিকে ঝলক দেখালেন। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে স্বস্তি মিলে বাংলাদেশ শিবিরে। তিনিই শেষ পর্যন্ত অপরাজিত রয়ে গেছেন ৪৩ রানে।

তৃতীয় দিনে ক্যারিবীয় ব্যাটার ত্যাগনারায়ণ চন্দরপল ধীরগতির ব্যাটিংয়ে বেশ প্রতিরোধ গড়েছিলেন। ১৮৪ বল খেলে ৫৬ রান করা চন্দরপলকে অবশেষে ফিরিয়েছেন শরিফুল ইসলাম। তার ক্যাচটি নিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এই উইকেট জুটিতে ভেঙে যায় ৬৫ রানের প্রতিরোধ। এদিন ৪ উইকেটে ১৩৪ রান নিয়ে খেলা শুরু করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ এক পর্যায়ে ১ উইকেটে ৯০ রানে বেশ ভালো অবস্থানে ছিল। তবে সেখান থেকে মাত্র ৭ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে তারা কোণঠাসা হয়ে পড়ে এবং ৯৭ রানে ৪ উইকেট হারায়। ৫ উইকেটে ২১৩ রান তুলে ফেলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টেস্ট খেলা কাকে বলে সেটাই যেন দেখাচ্ছিলেন ত্যাগনারায়ণ চন্দরপল। চন্দরপলের আউটে ভেঙেছে ৬৫ রানের জুটি। ১৬২ রানে ৫ উইকেট হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ধীরগতির ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে বিরক্ত করে ফেলেছিলেন তিনি।

বোলিংয়ে নাঈম হাসান ৪ উইকেট শিকার করে দলের পক্ষে বড় ভূমিকা রাখেন। এছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ সাদমান ইসলামের সেঞ্চুরি সত্ত্বেও ২৭২ রানে অলআউট হয়েছিল। সেই ইনিংসে ক্যারিবীয় বাঁহাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিকান একাই ৫ উইকেট দখল করেছিলেন। মিরপুরের উইকেটে স্পিনারদের দাপটে ম্যাচ এখন বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।