২০৩৮ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের একক আয়োজক হতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

চলতি ফুটবল বিশ্বকাপের আসর যৌথভাবে আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। এবারের টুর্নামেন্টের মূল আয়োজক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করছে, যেখানে মোট ১০৪টি ম্যাচের মধ্যে ৭৮টি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হচ্ছে দেশটির মাটিতে। তবে এর মধ্যেই ২০৩৮ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ এককভাবে আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু গিলিয়ানো এমন পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি জানান, ভবিষ্যতে যদি বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়িয়ে ৬৪ করা হয়, তবুও তা সফলভাবে পরিচালনা করার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে। তবে তিনি এও স্পষ্ট করেছেন যে, ২০৩৮ সালের বিড নিয়ে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর আগে বর্তমান বিশ্বকাপটি সুষ্ঠুভাবে শেষ করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

ফিফা বর্তমানে ফুটবল বিশ্বকাপের পরিধি ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ দল করেছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৬৪ দলে উন্নীত করার সম্ভাবনা যাচাই করছে। এর মধ্যেই ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো সংস্থাটির আইনি বিভাগ সুইজারল্যান্ডের জুরিখ থেকে সরিয়ে ফ্লোরিডায় স্থানান্তর করেছেন, যা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল বাজার ধরার একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০৩০ ও ২০৩৪ সালের বিশ্বকাপের ভেন্যু ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়ে গেছে। ২০৩০ সালের আসর স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোতে অনুষ্ঠিত হবে, তবে শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে তিনটি ম্যাচ হবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে। অন্যদিকে ২০৩৪ সালের একক আয়োজক দেশ হিসেবে সৌদি আরবকে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অবকাঠামোগত সুবিধা নিয়ে গিলিয়ানো বলেন, অন্যান্য দেশের তুলনায় এখানে খরচ অনেক কম হয়েছে। বেশিরভাগ স্টেডিয়াম ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো আগে থেকেই প্রস্তুত থাকায় অন্য দেশের তুলনায় কয়েক বিলিয়ন ডলার খরচ করেই তারা বড় আয়োজন সামাল দিতে পেরেছেন, যেখানে অন্যান্য দেশে হাজার কোটি ডলার পর্যন্ত ব্যয় হয়।