শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ও হাসপাতালের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চিকিৎসকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এদেশের চিকিৎসকরা আমার মাকে যে সেবা দিয়েছেন, সেটা বিদেশে পাওয়া যেত না।
প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিচারণ করে জানান, মৃত্যুর কিছুদিন আগেও তার মা চিকিৎসার জন্য বিদেশে গিয়েছিলেন। তবে তাকে পুনরায় বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে যখন আলোচনা চলছিল, তখন তিনি বলেছিলেন যে, এখানে চিকিৎসকরা যে আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা দিচ্ছেন, সেই ‘হিউম্যান টেককেয়ার’ বিদেশে পাওয়া সম্ভব নয়।
তারেক রহমান বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শুধুমাত্র ডাক্তার তৈরি করেনি, বরং সমাজনেতা তৈরিতেও ভূমিকা রেখেছে। চব্বিশের আন্দোলনে এই কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অকাতরে জীবন দিয়েছেন। বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল রাজধানীর সাধারণ মানুষের নির্ভরতার একটি প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা মানুষের মনোজগতে এমন এক অবস্থানে আছেন যেখানে সবাই আপনাদের পরম বন্ধু ও ভরসার জায়গা মনে করে। মানুষ যখন বিপদে পড়ে তখন চিকিৎসকদের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেই তাদের কাছে ছুটে যায়।
জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’ বা প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। রাষ্ট্র যদি চিকিৎসার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধের দিকে নজর দেয়, তবে রাষ্ট্রের খরচ অনেক কমে আসবে। এ লক্ষ্যে হেলথকেয়ারারদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে সচেতন করবেন এবং রোগ-বালাই প্রতিরোধে কাজ করবেন।

