বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ৬৪ বছরের মধ্যে প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে। এই ম্যাচটি সম্ভবত আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ হতে যাচ্ছে। অন্যদিকে, ২০১০ সালের পর নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলতে মরিয়া স্পেন।
ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত ৩৯ বছর বয়সী মেসি এই ফাইনালের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি কাফুর পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে তিনি তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলার কীর্তি গড়তে যাচ্ছেন। আটবারের ব্যালন ডি'অর জয়ী এই তারকা বারবারই কঠিন মুহূর্ত থেকে আর্জেন্টিনাকে রক্ষা করেছেন।
টুর্নামেন্টের শেষ ১৬-এর ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নেয়। এছাড়া আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বুধবারের সেমিফাইনালেও তার দুই অ্যাসিস্টে ২-১ গোলের নাটকীয় জয় পায় আর্জেন্টিনা।
কোচ লিওনেল স্কালোনির অধীনে আর্জেন্টিনার এই অদম্য মানসিকতা ও জয়ের আকাঙ্ক্ষা বারবার প্রশংসিত হয়েছে। ২০২২ সালের বিশ্বকাপ জয় এবং টানা দুটি কোপা আমেরিকা জয়ের পর স্কালোনি তার দলের এই সাফল্যের কৃতিত্ব খেলোয়াড়দের নির্ভীকতাকে দিয়েছেন। তিনি বলেন, এই দলকে ব্যাখ্যা করা কঠিন। এটি আমাদের ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব এবং শেষ পর্যন্ত লড়াই করার মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। আমি ছেলেদের চিনি, তারা কোনো কিছুকেই ভয় পায় না। তবে রবিবারের ফাইনালে আর্জেন্টিনার এই অদম্য মানসিকতা বড় পরীক্ষার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে।

