আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বিশেষ অধিবেশন ডাকার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি।
পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, সময়ই বলে দেবে। এছাড়া সদ্যবিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি এখনই কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জুলাই আন্দোলনে আহতদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, যদি এসব মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে তা প্রত্যাহার করা হবে। তবে ধর্ষণের মামলার বিষয়ে তিনি কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে বলেন, যত বড় রাজনৈতিক নেতাই হোক না কেন, ধর্ষণের মামলা কোনোভাবেই প্রত্যাহার করা হবে না। বর্তমানে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিলিং শূন্যের কোটায় রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। সংবিধান অনুযায়ী ২০২৮ সালের এপ্রিলে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তিনি মেয়াদের প্রায় দুই বছর আগেই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

