ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার পর টাঙ্গাইলের মধুপুরের বিখ্যাত আনারস প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের বাজারে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই রপ্তানির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে পাকিস্তানের ন্যাশনাল প্ল্যান্ট প্রোটেকশন অর্গানাইজেশনের (এনপিপিও) একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি মধুপুরে আনারস উৎপাদন এলাকা পরিদর্শন করেছে।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এনপিপিও প্রতিনিধি মো. আকিব মেহেদীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি মধুপুরের আনারস উৎপাদন এলাকা, সেন্ট্রাল প্যাক হাউজ এবং ভ্যাপার হিট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ঘুরে দেখেন। সফরের সময় তারা উপজেলার মহিষমারা, মোটেরবাজার, জলছত্র ও পঁচিশমাইলসহ বেশ কিছু এলাকা পরিদর্শন করেন। বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে আনারস রপ্তানির বিষয়ে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
পরিদর্শনকালে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন উপপরিচালক (রপ্তানি) এ কে এম মফিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপপরিচালক (রপ্তানি) বি এম রকিবুল হাসান, অতিরিক্ত উপপরিচালক (রপ্তানি) সাবির আহমেদ এবং অতিরিক্ত উপপরিচালক-২ (প্রশাসন ও অর্থ উইং) রকিব আল রানা। এছাড়া পাকিস্তান সরকারের কীটতত্ত্ববিদ আকিব মেহেদী, টাঙ্গাইলের প্ল্যান্ট প্রোটেকশন বিভাগের উপপরিচালক আশেক পারভেজ এবং টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (হর্টিকালচার) শোয়েব মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
পাশাপাশি মধুপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা তাজরী নূর রাত্রি, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এবিএম খায়রুল ইসলাম, মোহাম্মদ এরশাদ আলী, সুরুজ আলী, রেহানা খাতুন, ফারুক হোসেন ও আব্দুর রহিম রাজুসহ কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

