চেক জালিয়াতির মামলায় রিজেন্ট সাহেদ কারাগারে

করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার জালিয়াতির ঘটনায় দেশজুড়ে আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে একটি চেক জালিয়াতির মামলায় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার ৫ম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক সাদিক আহম্মেদ এই আদেশ প্রদান করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালে ব্যবসার প্রয়োজনে মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক থেকে ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন সাহেদ। এই ঋণের বিপরীতে জামানত হিসেবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে সমপরিমাণ অর্থের একটি চেক প্রদান করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে ঋণের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকটি ব্যাংকে জমা দিলে তা ডিজঅনার হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ১৮৮১ সালের নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্ট আইনের ১৩৮ ধারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে বিচারের জন্য মামলাটি ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তর করা হয়।

বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে গত ২০২৫ সালের ৪ মে আদালত সাহেদকে এই মামলায় এক বছরের কারাদণ্ড এবং ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। ওই সময় তার বিরুদ্ধে সাজা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। সাহেদের আইনজীবী মোহাম্মদ দবির উদ্দিন জানান, মামলাটি যখন দায়ের করা হয়, তখন সাহেদ অন্য মামলায় সাড়ে চার বছর ধরে কারাভোগ করছিলেন এবং এই মামলায় তাকে তখন গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। তিনি আরও জানান, বর্তমানে যেহেতু সাহেদ কারাগারে আছেন, তাই তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।

উল্লেখ্য, চেক জালিয়াতির এই মামলার আগে রবিবার রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে পুলিশ সাহেদকে গ্রেপ্তার করে। এরপর পল্লবী থানার পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাকে ওই থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত