সৌদি আরবে হুতি হামলার পেছনে ইরানের কৌশল রয়েছে: ইয়েমেনি রাষ্ট্রদূত সৌদি আরবে হুতি হামলার

যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইয়েমেনের রাষ্ট্রদূত জামিলা আলি রাজা অভিযোগ করেছেন যে, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুতি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলাগুলো বিচ্ছিন্ন কোনো জলদস্যুতা নয়। ওয়াশিংটনে মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউট আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি দাবি করেন, এই হামলাগুলো মূলত আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে ইরানের একটি বৃহত্তর কৌশলের অংশ। ইয়েমেনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সাবা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রাষ্ট্রদূত জামিলা আলি রাজা তার বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করেন, ইরান-ঘনিষ্ঠ হুতি বিদ্রোহীরা নিয়মিতভাবে ইয়েমেনের শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে আসছে। তিনি অভিযোগ করেন, হুতিরা ইয়েমেনের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার পরিবর্তে মূলত তেহরানের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছে। তাদের কর্মকাণ্ডের ফলে তেল রপ্তানি বন্ধ হয়ে ইয়েমেনের অর্থনীতি পঙ্গু হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলও মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ সাল থেকে তেল রপ্তানি কেন্দ্রগুলোতে হুতিদের ক্রমাগত হামলার কারণে ইয়েমেন সরকার আনুমানিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রাজস্ব হারিয়েছে। বর্তমানে হুতি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং উত্তর অংশের বেশিরভাগ অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে। ২০২৩ সালের শেষভাগ থেকে তারা লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগরে চলাচলকারী বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজে নিয়মিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে। হুতিদের দাবি, গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার শিকার ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানাতেই তারা এই হামলা চালাচ্ছে। তবে ইয়েমেনি প্রশাসন একে ইরানের আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারের ছক হিসেবেই দেখছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) আল-জাজিরা এ সংবাদ প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সাল থেকে তেল রপ্তানি কেন্দ্রগুলোতে হুতিদের ক্রমাগত হামলার কারণে ইয়েমেন সরকার আনুমানিক ৬ বিলিয়ন (৬০০ কোটি) মার্কিন ডলারের রাজস্ব হারিয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত