আসিয়ান কাপে আন্ডারডগ হিসেবে নামছে বাংলাদেশ: থমাস ডুলি

আসন্ন আসিয়ান কাপে বড় কোনো সাফল্য পাওয়ার চেয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনকেই প্রধান লক্ষ্য হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ থমাস ডুলি। ইন্দোনেশিয়ায় হতে যাওয়া এই আঞ্চলিক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ আন্ডারডগ হিসেবেই মাঠে নামবে বলে মনে করেন এই স্প্যানিশ-আমেরিকান কোচ। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হবে। ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের বাকি দুই প্রতিপক্ষ হলো স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুর।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমের সামনে এসে ডুলি জানান, দলের স্কোয়াডে বর্তমানে ২৫-২৬ জন খেলোয়াড় রয়েছে এবং আরও তিনজন যুক্ত হবে। টুর্নামেন্টের কৌশল বা সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে আগাম কোনো তথ্য প্রকাশ করতে রাজি নন তিনি। ডুলির ভাষ্যমতে, র‍্যাঙ্কিং ও শক্তিমত্তার বিচারে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুর বাংলাদেশের চেয়ে বেশ এগিয়ে রয়েছে। তাই বাড়তি চাপ না নিয়ে বাস্তবতার নিরিখে নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাই হবে দলের লক্ষ্য।

বাংলাদেশের ফুটবলে দীর্ঘদিনের সমস্যা একজন যোগ্য ‘নম্বর নাইন’ বা স্ট্রাইকারের অভাব। ডুলির মতে, স্থানীয় ফুটবলে প্রথাগত এই পজিশনের খেলোয়াড় তৈরি না হওয়ার প্রধান কারণ ক্লাবের বিদেশি খেলোয়াড় নির্ভরতা। তিনি বলেন, লিগের প্রতিটি ক্লাবই বিদেশি খেলোয়াড়কে স্ট্রাইকার হিসেবে ব্যবহার করে, ফলে স্থানীয়রা এই পজিশনে খেলার সুযোগ পায় না। এখন দলের প্রয়োজনে এই শূন্যস্থানে কাকে খেলানো যায়, তা নতুন করে ভাবাচ্ছে কোচিং স্টাফকে।

কোচ চেয়েছিলেন রক্ষণভাগের খেলোয়াড় বিশ্বনাথ ঘোষকে আক্রমণভাগে ব্যবহার করতে, যার ঝলক সান মারিনোর বিপক্ষে ম্যাচে দেখা গিয়েছিল। বিশ্বনাথ সেখানে দ্বিতীয় গোলটিতে অ্যাসিস্ট করার পাশাপাশি গোল করার সুযোগও তৈরি করেছিলেন। তবে ইনজুরির কারণে চার সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে চলে যাওয়ায় সেই পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা খেয়েছে দল।

ডুলি জানিয়েছেন, সাফের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলাটি খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা বাড়াতে সাহায্য করবে। সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে তিনি বার্তা দিয়েছেন, এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন বা রানার্সআপ হওয়ার উচ্চাভিলাষী প্রত্যাশা যেন না রাখা হয়, কারণ প্রতিপক্ষ দলগুলো বর্তমানে বাংলাদেশের তুলনায় অনেক শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ডুলি বলেন, ‘আমাদের এখানে ২৫-২৬ জন খেলোয়াড় রয়েছে, আরও তিনজন যোগ দেবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে আমরা কীভাবে খেলব, কারা আমাদের সেরা খেলোয়াড় কিংবা আমাদের পরিকল্পনা কী, এসব প্রকাশ করে দিতে চাই না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমরা যদি সবকিছু বলে দিই, তাহলে তাদেরই সুবিধা হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: র‍্যাঙ্কিংয়ের দিকে তাকান, তারা কোথায় আর আমরা কোথায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গোলরক্ষক, ডিফেন্ডার, মিডফিল্ডার কিংবা উইঙ্গার প্রায় প্রতিটি পজিশনেই খেলোয়াড়ের দেখা মিললেও গোল করার জন্য নির্ভরযোগ্য স্ট্রাইকারের ঘাটতি রয়েই গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ক্ষেত্রে ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষকেও আক্রমণভাগে ব্যবহারের সম্ভাবনা দেখেছিলেন ডুলি।