বিশ্বমঞ্চে ফুটবলের লড়াই শুরু হলেও আয়োজক দেশগুলোর ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে। সম্প্রতি আমেরিকার ইমিগ্রেশন সোমালিয়ার একজন রেফারিকে ফিরিয়ে দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এবার কানাডা সরকার একজন তারকা ফুটবলারকে ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ঘানার অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার টমাস পার্টেইকে কানাডায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। এর ফলস্বরূপ, আগামী ১৭ জুন পানামার বিরুদ্ধে ঘানার উদ্বোধনী ম্যাচে এই তারকা মিডফিল্ডারকে দেখা যাবে না।
শুক্রবার রাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ফিফা এই খবর নিশ্চিত করেছে।
কানাডা সরকারের এই অপ্রত্যাশিত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ফিফা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “ফিফা নিশ্চিত করছে যে, ঘানার খেলোয়াড় টমাস পার্টেই আগামী ১৭ জুন পানামার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে অবস্থিত বেসক্যাম্প থেকে কানাডায় যেতে পারবেন না।” বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, কানাডা সরকার তার ভিসা আবেদন বাতিল করেছে এবং আয়োজক দেশগুলোর অভিবাসন প্রক্রিয়া বা ভিসা প্রদানের সিদ্ধান্তের সঙ্গে ফিফার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
৩২ বছর বয়সী টমাস পার্টেই বর্তমানে স্প্যানিশ ক্লাব ভিয়ারিয়ালের হয়ে খেলছেন। এর আগে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে ইংলিশ জায়ান্ট আর্সেনালের মাঝমাঠের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে একাধিক ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছিল। তবে পার্টেই সবসময়ই এই অভিযোগগুলো অস্বীকার করে এসেছেন।
ঘানা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে যে, প্রথম ম্যাচটি খেলতে না পারলেও পার্টেই বর্তমানে বোস্টনে দলের সঙ্গে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন। যেহেতু গ্রুপ ‘এল’-এর অবশিষ্ট দুটি ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতেই অনুষ্ঠিত হবে (বোস্টনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এবং ফিলাডেলফিয়াতে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে), এবং তার আমেরিকার ভিসা সক্রিয় থাকায়, পরবর্তী ম্যাচগুলোতে তার খেলতে কোনো সমস্যা হবে না।
