টরন্টোর মেয়র হিসেবে আবারও বিজয়ী অলিভিয়া চাউ

টরন্টোর মেয়র পদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন অলিভিয়া চাউ। গত সোমবার, ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সিটি নির্বাচনে তিনি তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাড ব্রাডফোর্ডকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে এই সাফল্য অর্জন করেন। নির্বাচনের রাতে প্রায় সব ভোটকেন্দ্রের ফলাফল আসার পর দেখা যায়, অলিভিয়া চাউ পেয়েছেন প্রায় ৫ লাখ ২৩ হাজার ভোট। অন্যদিকে, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাড ব্রাডফোর্ড পেয়েছেন প্রায় ২ লাখ ৯৭ হাজার ভোট। সব মিলিয়ে এই দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল প্রায় ২ লাখ ২৬ হাজার। টোকিওতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়। নির্বাচনের আগে দুই প্রার্থীর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া গেলেও ভোটের ফলাফলে স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে থাকেন বর্তমান মেয়র। তবে এগুলো নির্বাচনের রাতের প্রাথমিক হিসাব। অন্যদিকে, অলিভিয়া চাউ সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণ, গণপরিবহনের উন্নয়ন এবং নগরীর বিভিন্ন সামাজিক সেবায় বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।

এর আগে ২০২৩ সালের জুনে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে প্রথমবার টরন্টোর মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন অলিভিয়া চাউ। তৎকালীন মেয়র জন টোরি পদত্যাগ করার পর সেই উপনির্বাচনে তিনি ২ লাখ ৬৯ হাজার ৩৭২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন। নতুন এই জয়ের মাধ্যমে তিনি কানাডার এই গুরুত্বপূর্ণ শহরের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে নিজের অবস্থান আরও সুসংহত করলেন। সচিবালয়ে বহিরাগতদের দৌরাত্ম্য: কড়া অ্যাকশনে প্রধানমন্ত্রী।

নির্বাচনে পরাজয় বরণ করা ব্রাড ব্রাডফোর্ড ২০১৮ সাল থেকে বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক এলাকার কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এবারের মেয়র নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য তিনি আর কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে অংশ নেননি। নির্বাচনের প্রচারণাকালে ব্রাডফোর্ড সম্পত্তি কর অপরিবর্তিত রাখা, পুলিশ বাহিনীর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করা এবং সিটি প্রশাসনের সামগ্রিক ব্যয় পর্যালোচনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে প্রথমবার পূর্ণ চার বছরের মেয়াদে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলেন তিনি। নির্বাচনী প্রচারণায় নগরীর ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়, সম্পত্তি কর, জননিরাপত্তা, আবাসন সংকট এবং গণপরিবহন নিয়ে দুই প্রার্থীর মধ্যে মতপার্থক্য সামনে আসে।