দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে-কে আবারও আটক করেছে নগর পুলিশ। ১৬ অক্টোবর শুক্রবার সেন্ট্রাল পার্কে আয়োজিত একটি পতাকা উত্তোলন কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাওয়ার মাত্র কয়েক মিনিট আগে তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়। এর আগে গত ১০ অক্টোবর দিল্লির বিমানবন্দর থেকেও তাঁকে একবার আটক করা হয়েছিল। সূত্র: এনডিটিভি। কিন্তু ওইদিন পুলিশ কাউকে সেখানে যেতে দেয়নি। পরেরদিন মুক্তি পাওয়ার পর নিজের পরিবারের কাছে ছুটে যান তিনি। এরআগের দিন তার দাদি বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান। অভিজিৎকে আজ নতুন করে আটকের আগে তার দিল্লির বাড়িতে যায় পুলিশ।
পুলিশ সূত্রের খবর, আজ সকালে অভিজিতের দিল্লির বাসভবনে গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়ে আসেন যে সেন্ট্রাল পার্কে কোনো ধরনের সমাবেশ বা কর্মসূচি পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হবে না। তা সত্ত্বেও নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ দিতে গেলে তাঁকে আটক করা হয়। মূলত ককরোচ পার্টির দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও যদি কেউ যান তাহলে সেটি আইন অমান্য হিসেবে বিবেচিত হবে।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১০ অক্টোবর যন্তরমন্তরে দলীয় সমর্থকদের জড়ো হওয়ার কথা থাকলেও পুলিশি বাধার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ১৩ অক্টোবর আশুতোষ ও সৌরভ যন্তরমন্তরে গিয়ে পতাকা উড়ালে পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয়। এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে সেন্ট্রাল পার্কে নতুন কর্মসূচি ডাক দেওয়া হয়।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরেই রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে আসছে ককরোচ জনতা পার্টির তরুণ সমর্থকেরা। তাঁদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারকে অন্যায্য সুবিধা দিতে নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা থেকে কয়েক কোটি মানুষের নাম বাদ দিয়েছে। বিশেষ করে আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে একযোগেই ৭০ লাখ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে দলটির পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

