লা লিগায় নিজেদের জয়যাত্রা অব্যাহত রেখেছে বার্সেলোনা। লেভান্তেকে ৪-২ গোলে হারিয়ে মৌসুমে টানা পঞ্চম জয় তুলে নিয়েছে হান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা। এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা কাতালানরা নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে তিন পয়েন্টে এগিয়ে গেল। বার্সার এই জয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল, যিনি জোড়া গোল করে ব্যবধান গড়ে দিয়েছেন।
ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই রাফিনিয়ার সহায়তায় জাভি এস্পার্ত দুর্দান্ত এক শটে বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন। এটি ছিল বার্সার জার্সিতে তার অভিষেক গোল। কিছুক্ষণ পরই আবারও রাফিনিয়ার অ্যাসিস্ট থেকে গোল করেন ইয়ামাল। ফলে প্রথমার্ধেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সফরকারীরা। বিরতির পর আইসা মান্দির ফাউলে পাওয়া পেনাল্টি থেকে ইয়ামাল নিজের দ্বিতীয় ও মৌসুমে ব্যক্তিগত ষষ্ঠ গোলটি পূর্ণ করলে বার্সার লিড ৩-০ ব্যবধানে পৌঁছায়।
ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা বার্সেলোনা শেষ দিকে কিছুটা চাপে পড়েছিল। ৭৯তম মিনিটে ক্রিস্টেনসেন বলের নিয়ন্ত্রণ হারালে ইভান রোমেরো গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন। ৮৮তম মিনিটে ব্রুগের আরও একটি গোল করলে লেভান্তে ৩-২ ব্যবধানে ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন দেখে। তবে শেষ মুহূর্তে করিম আদেয়েমি দুর্দান্ত ড্রিবলিংয়ে লেভান্তের রক্ষণভাগ ভেঙে গোল করলে বার্সেলোনার ৪-২ গোলের জয় নিশ্চিত হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বার্সার জয়ের দুই নায়ক ইয়ামাল ও রাফিনিয়া, তাদের পেছনে ব্যালন ডি-অর জয়ী মিডফিল্ডার রদ্রি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বার্সা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর ব্যবধান বাড়াতে খুব বেশি সময় নেয়নি কাতালানরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিরতির পরও আক্রমণের ধার কমেনি বার্সার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই সঙ্গে লা লিগায় চলতি মৌসুমে নিজের গোলসংখ্যা নিয়ে যান ছয়ে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গার্সিয়ার দুর্দান্ত প্রচেষ্টার পর প্রায় ফাঁকা গোল পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ইভান রোমেরো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে ক্রিস্টেনসেন গোললাইন থেকে বল ক্লিয়ার করে বার্সাকে বড় বিপদ থেকে রক্ষা করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে শেষদিকে বার্সার ভুলেই ম্যাচে ফিরে আসে লেভান্তে।
