স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত নেই: প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের কোনো ধরনের শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই বলে স্পষ্ট করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। রোববার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সামনে এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশন—এই চারটি স্তরে নির্বাচন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। তবে আইন অনুযায়ী এসব নির্বাচনে মেয়র, কাউন্সিলর, চেয়ারম্যান কিংবা সদস্য পদে প্রার্থী হতে কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিষয়টি ভিন্ন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার আইনে প্রজাতন্ত্র, পরিষদ বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কোনো লাভজনক পদে থাকা ব্যক্তিদের নির্বাচন করার ক্ষেত্রে অযোগ্যতার কিছু বিধান রয়েছে। এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল-কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫-এর ১১ নম্বর বিধির ১৭(খ) ধারায় বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক একই সঙ্গে একাধিক বা আর্থিক লাভজনক পদে থাকতে পারবেন না।

এ বিষয়ে মীর শাহে আলম বলেন, নির্বাচনের বিধিমালা এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা বা অযোগ্যতা নির্ধারণ করার মূল দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তাই স্থানীয় সরকার আইন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা পর্যালোচনা করে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা নির্বাচনে লড়তে পারবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত ইসিকেই নিতে হবে। যদি নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে কোনো আইনগত ব্যাখ্যার প্রয়োজন মনে করে, তবে তারা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে বিষয়টি পাঠাতে পারে। পরবর্তীতে আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রেও কোনো ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত নেই। সেই একই নীতি স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও অনুসরণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, শিক্ষাগত যোগ্যতাকে বাধ্যতামূলক করলে তা মানবাধিকারের প্রশ্নে বিতর্কের জন্ম দিতে পারে। প্রাতিষ্ঠানিক সনদ ছাড়াও একজন মানুষের গভীর জ্ঞান, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং সামাজিক মর্যাদা থাকতে পারে। তাই সাংবিধানিক ও মানবিক উভয় দিক বিবেচনা করেই শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত রাখা হয়নি বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। চাকরির আরও তথ্য: এর মধ্যে সরকারি বেতন, ভাতা ও সম্মানির পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয় বা আইন পেশার বিনিময়ে পাওয়া অর্থও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে এআই-রোবোটিকস। চাকরির আরও তথ্য: অ্যামচেমের সঙ্গে ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনতে চায় সরকার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পড়াশোনা না করলেও একজন ব্যক্তি স্বশিক্ষিত হতে পারেন এবং সামাজিকভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেন।