দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের তীব্র সংকট মোকাবিলায় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় আয়োজিত ৫১তম বিশেষ বিসিএসে চূড়ান্তভাবে মোট ৪৪ হাজার ৬৩৫ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। ফি জমাদানের নির্ধারিত সময়সীমা শেষে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) এই পরিসংখ্যান নিশ্চিত করেছে। পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।
পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া আগে সম্পন্ন হলেও প্রার্থীদের ফি জমা দেওয়ার জন্য ২৮ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সুযোগ রাখা ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনের পর যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফি জমা দিয়েছেন, শুধুমাত্র তাদের আবেদনই চূড়ান্ত বলে গণ্য করা হয়েছে। বাছাই প্রক্রিয়া শেষে এই ৪৪ হাজার ৬৩৫ জন প্রার্থী প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর এই বিশেষ বিসিএসের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে চাহিদাপত্র পাওয়ার পর দ্রুততম সময়ে এই নিয়োগের আয়োজন করা হয়েছে। ইউরোপের ঘণ্টাপ্রতি বেতন যে ১০ দেশে সবচেয়ে বেশি।
এই বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে মোট ৫ হাজার চিকিৎসককে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে সহকারী সার্জন পদে ৪ হাজার ৭০০ জন এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ৩০০ জনকে নিয়োগ প্রদান করা হবে। উল্লেখ্য, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় দেশের তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয় এবং স্বাস্থ্য খাতে রেকর্ড ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। সরকারের এই নীতিগত সিদ্ধান্তের আলোকেই পিএসসি বিশেষ বিসিএসের প্রজ্ঞাপন ও আবেদন গ্রহণ সম্পন্ন করেছে। নিউজিল্যান্ড শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চার পরিবর্তন।
প্রার্থীদের দ্রুত নিয়োগ ও হাসপাতালে পদায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পরীক্ষায় বড় কোনো লিখিত পরীক্ষা থাকছে না। পিএসসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রার্থী বাছাই করা হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন চিকিৎসকদের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে পদায়ন করা হবে বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে। চাকরির অভিজ্ঞতা নেই, সিভিতে তুলে ধরুন বিশ্ববিদ্যালয়ের যে যে কাজ।

