মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে নেত্রকোনার কলমাকান্দা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ৪২ জন শিক্ষার্থী, ৫ জন শিক্ষক এবং পরিচালনা কমিটির দুজন সদস্য সংসদ অধিবেশন দেখার উদ্দেশ্যে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। অধিবেশন প্রত্যক্ষ করার একপর্যায়ে তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার বিরল সুযোগ পান, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করে।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমাদের প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে। নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশপাশে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব।” তিনি শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেন, পরিচ্ছন্নতার এই অভ্যাস নিজের পরিবার থেকেই শুরু করতে হবে এবং বন্ধু ও প্রতিবেশীদেরও এ বিষয়ে সচেতন করতে হবে।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তাদের ভবিষ্যৎ লক্ষ্যের বিষয়েও আন্তরিক আলাপ করেন। তিনি বলেন, “শুধু পাঠ্যবইয়ে মনোযোগ দিলেই হবে না; সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেড়ে উঠতে নিয়মিত খেলাধুলা ও শরীরচর্চা করতে হবে। সময়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে নিজেদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।”
মানবিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের চারপাশের অসহায় ও অবলা প্রাণীদের প্রতিও যত্নবান হতে হবে। কোনো প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করা যাবে না। জীবজন্তুর প্রতি মমতা ও দায়িত্ববোধ মানবিক সমাজের পরিচয়।”
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এই সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পাওয়া এই মূল্যবান পরামর্শগুলো নিজেদের জীবনে অনুসরণ করার পাশাপাশি পরিবার, বিদ্যালয় ও এলাকার মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন শিক্ষার্থীরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে নেত্রকোনার কলমাকান্দা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তোমাদের ছোট ছোট উদ্যোগই একটি পরিচ্ছন্ন ও সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারা কোন শ্রেণিতে পড়ে, কীভাবে পড়াশোনা করছে এবং ভবিষ্যতে কী হতে চায়; এসব বিষয়েও তাদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

