শৈশবকালীন উন্নয়ন বা আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট (ECD) নিয়ে আয়োজিত ২০২৬ সালের এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিওনাল লার্নিং ফোরামে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নিচ্ছে। এই আয়োজনটি এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে শিশুদের জন্য আরও উজ্জ্বল ও জলবায়ু-সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা। Bangladesh Team at the 2026 Asia-Pacific Regional Learning Forum on Early Childhood Development (ECD)। Under the theme “From Knowledge to Collective Action: Strengthening Climate-Responsive and Well-Financed ECD Systems in Asia-Pacific,” the forum offers an important platform to exchange experiences, challenge ideas, and। From Bangladesh to the Asia-Pacific region, we are joining hands to shape a brighter, more resilient future for every young child।
প্রতিনিধি দলে বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্ক (BEN), ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্ট (BRAC IED), এডুকো বাংলাদেশ এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের (POJF) ইসিডি চ্যাম্পিয়ন মুকিদ মজুমদার বাবু অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এবারের ফোরামের মূল প্রতিপাদ্য হলো, “ফ্রম নলেজ টু কালেক্টিভ অ্যাকশন: স্ট্রেংদেনিং ক্লাইমেট-রেসপনসিভ অ্যান্ড ওয়েল-ফাইন্যান্সড ইসিডি সিস্টেমস ইন এশিয়া-প্যাসিফিক”।
এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মটি বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা বিনিময়, নতুন ধারণা নিয়ে বিতর্ক এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় কীভাবে শৈশবকালীন উন্নয়ন ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিস্থাপক ও টেকসই অর্থায়নের আওতায় আনা যায়, তা নিয়ে এখানে বিশদ আলোচনা হচ্ছে।
বক্তারা মনে করেন, শৈশবকালীন উন্নয়নে বিনিয়োগ করা মানেই ভবিষ্যতের সামগ্রিক উন্নয়নে বিনিয়োগ করা। তবিদ নামের এক শিশুর জীবনের ছয় বছর পূর্তির প্রসঙ্গটি এসময় উল্লেখ করা হয়, যে কিনা কোভিড-১৯ মহামারীর কঠিন সময়ে পরিবারের জন্য আলোকবর্তিকা ও আনন্দের উৎস হয়ে উঠেছিল। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে শিশুদের রক্ষা করতে টেকসই ইসিডি কাঠামোর গুরুত্ব এখন বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। Tabeed Turns Six: Little Blessing Who Brought Light and Happiness During COVID-19।

