বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে নতুন এক প্রস্তাব নিয়ে এসেছে বেইজিং। চীন সরকার এবার মিয়ানমারের ভূখণ্ড ব্যবহার করে একটি অর্থনৈতিক করিডোর স্থাপনের পরিকল্পনা সামনে এনেছে, যা ঢাকা ও বেইজিংয়ের কানেক্টিভিটিকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে পারে। এই করিডোরটি কার্যকর হলে বাংলাদেশ থেকে সরাসরি মিয়ানমার হয়ে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগ সহজতর হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া এই প্রস্তাবটি আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকলেও, এই নতুন করিডোর স্থাপনের বিষয়টি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কৌশলগত দিক ও ভৌগোলিক অবস্থানের সমন্বয় প্রয়োজন হবে। প্রস্তাবিত এই প্রকল্পটি উভয় দেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার একটি অংশ হিসেবে দেখছে চীন।
প্রস্তাব অনুযায়ী, এই অর্থনৈতিক করিডোরটি শুধুমাত্র দুই দেশের বাণিজ্যের পথ প্রশস্ত করবে না, বরং দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসেবেও কাজ করবে। বর্তমানে এই বিষয়ে দুই দেশের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে আলোচনা ও পর্যালোচনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রস্তাবিত করিডোরটির অবকাঠামোগত ভিত্তি এবং এর বাণিজ্যিক সুফলের ওপর জোর দিয়ে বেইজিং তার পরিকল্পনা তুলে ধরেছে।
