আরাউহোর গোলে উরুগুয়ের রক্ষা, সৌদি আরবের স্বপ্নভঙ্গ
আক্রমণের ঝড় বইয়ে দিয়েও সুবিধা করতে পারল না উরুগুয়ে। ধারার বিপরীতে গোল করে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আরেকটি স্মরণীয় জয়ের খুব কাছে চলে গিয়েছিল সৌদি আরব। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্বপ্নভঙ্গ হলো এশিয়ার দলটির। ম্যাক্সি আরাউহো শেষ মুহূর্তের গোলে হার এড়াল উরুগুয়ে।
মিয়ামি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সোমবার ভোরে অনুষ্ঠিত ‘এইচ’ গ্রুপের ম্যাচটি ১-১ ড্র হয়। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরব বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে। কিন্তু এবার তারা দ্বিতীয়ার্ধে উরুগুয়ের তীব্র আক্রমণ ঠেকাতে পারেনি। মার্সেলো বিয়েলসার দল ম্যাচে মোট ২৮টি শট নেয়, যার মধ্যে ১০টি ছিল লক্ষ্যে। শেষ পর্যন্ত একটি মূল্যবান পয়েন্ট আদায় করে তারা।
প্রথমার্ধ শেষের চার মিনিট আগে আবদুলেলাহ আল আমরি গোল করে সৌদি আরবকে এগিয়ে দেন। কর্নার থেকে হাসান আল তামবাকতির হেডার উরুগুয়ে গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরা ঠেকালেও ফিরতি বলে আল আমরি জালে পাঠান।
বিরতির পর বিয়েলসা ডাবল পরিবর্তন করেন। এতে উরুগুয়ের খেলায় নতুন গতি আসে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মিডফিল্ডার ম্যানুয়েল উগার্তের নিচু শট সৌদি গোলরক্ষক মোহাম্মদ আল ওওয়াইস পোস্টে ঠেলে দেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৮০তম মিনিটে ফেদেরিকো ভিনাসের হেড ঠেকাতে গিয়ে বল আরাউহোর সামনে পড়ে যায়, আর তিনি গোল করে সমতা ফেরান।
ম্যাচের আসল নায়ক ছিলেন আল ওওয়াইস। পুরো ম্যাচে নয়টি সেভ করেন সৌদি গোলরক্ষক। যার মধ্যে ম্যাচের যোগ করা সময়ে রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডার ফেদেরিকো ভালভার্দের জোরালো শট পোস্টের বাইরে ঠেলে দেওয়া ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
একই গ্রুপে দিনের আগের ম্যাচে শিরোপা প্রত্যাশি স্পেনকে রুখে দেয় (০-০) বিশ্বকাপে প্রথম খেলতে আসা কেপ ভার্দে। ফলে গ্রুপটি এখন পুরোপুরি উন্মুক্ত। সব দলেরই পরের রাউন্ডে যাওয়ার সমান সুযোগ রয়েছে। সৌদি আরব ১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপের পর প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে পৌঁছানোর স্বপ্ন দেখছে।
