পুরো ম্যাচটি ছিল যেন এক রোলারকোস্টার রাইড। একবার বেলজিয়াম তো পরক্ষণেই মিশর শীর্ষস্থানের লড়াইয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল। তবে সব নাটকীয়তা ছাপিয়ে শেষ হাসি হেসেছে বেলজিয়ামই। নিউজিল্যান্ডকে ৫-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে তারা গ্রুপ ‘জি’-তে নিজেদের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে এবং সেই সাথে নকআউট পর্বের টিকিট কেটেছে। এই ফলাফলের ফলে মিশরকে নেমে যেতে হয় পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে।
ম্যাচের ২৮ মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইনার নেওয়া কর্নার কিক থেকে চমৎকার হেডে গোল করে বেলজিয়ামকে প্রথম লিড এনে দেন লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্দ। প্রথমার্ধে এই ব্যবধান বজায় রেখেই বিরতিতে যায় বেলজিয়াম।
দ্বিতীয়ার্ধে ত্রোসার্দ আবারও ঝলক দেখান। পেনাল্টি এরিয়ায় বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দারুণ ভলিতে তিনি লক্ষ্যভেদ করেন। ভিএআর পরীক্ষার পর গোলটি বহাল রাখা হয়। এরপরই খেলার মোড় ঘুরে যায়। ডি ব্রুইনা বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে জাল কাঁপান। এই গোলের মাধ্যমে মিশরকে টপকে বেলজিয়াম গ্রুপের শীর্ষে উঠে আসে।
তবে নিউজিল্যান্ড লড়াই চালিয়ে যায়। এলাইজা জাস্ট বক্সের বাইরে থেকে এক দুর্দান্ত শটে বেলজিয়ামের জালে বল পাঠালে সমীকরণ আবার বদলে যায়। সেই গোলটিতে মিশর পুনরায় গ্রুপের শীর্ষে উঠে আসে এবং বেলজিয়াম নেমে যায় দ্বিতীয় স্থানে।
এই পরিস্থিতি অবশ্য মাত্র দুই মিনিট স্থায়ী ছিল। বক্সের ভেতর উড়ে আসা বল থেকে রোমেলু লুকাকু নিখুঁত হেডে গোল করলে বেলজিয়াম আবারও শীর্ষে ফিরে আসে। এরপর সালমেকার্স বক্সের ভেতর সুযোগ পেয়ে দারুণ এক শটে লক্ষ্যভেদ করলে ৪ গোলের বড় ব্যবধান তৈরি হয়। সব অনিশ্চয়তা দূর করে ৫-১ গোলের এই বড় জয় নিয়ে গ্রুপসেরা হিসেবেই নকআউটে উঠল বেলজিয়াম।
