প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন যে তাঁর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সমস্ত অর্জন এদেশের সাধারণ মানুষের জন্য। দ্বিপক্ষীয় এই রাষ্ট্রীয় সফরগুলো থেকে যে সুদূরপ্রসারী সাফল্য অর্জিত হয়েছে, তা দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণ ও ভাগ্যোন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সফরের ইতিবাচক দিকগুলো দেশের জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরাসরি অবদান রাখবে।
তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, এই গুরুত্বপূর্ণ সফরগুলোর মধ্য দিয়ে যে সকল ইতিবাচক এবং গঠনমূলক ফল এসেছে, তার প্রকৃত অংশীদার এদেশের আপামর সাধারণ জনগণ। সফরকালে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে অর্জিত প্রতিটি সাফল্য দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর এই সফরগুলোর সমস্ত অর্জনকে দেশের সর্বস্তরের মানুষের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছেন।
দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার প্রয়াসে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এই ধরণের সফরগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়টির ওপর বিশেষ জোর দিয়ে বলেন যে, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার লক্ষ্যেই সরকার কাজ করে যাচ্ছে। মালয়েশিয়া ও চীন সফরের প্রতিটি অর্জন দেশের সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও সহজ ও সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করবে।
সফরগুলোর সফল সমাপ্তি এবং এর সুফল দেশের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই রাষ্ট্রীয় সফরগুলোর মূল লক্ষ্যই ছিল দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি ত্বরান্বিত করা। দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার এই নতুন ক্ষেত্রগুলো উন্মোচনের মধ্য দিয়ে যে সাফল্যের সূচনা হয়েছে, তার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব দেশের মানুষের। ফলে এই সফরের অর্জিত সকল সাফল্য দেশের প্রতিটি নাগরিকের কল্যাণে নিবেদিত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
