ইউরোপের বড় লিগগুলোর আলোকোজ্জ্বল মঞ্চ ছেড়ে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নতুন বাঁক নিলেন ফিলিপে কৌতিনহো। ৩৪ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার চলতি মৌসুমের বাকি সময়ের জন্য চুক্তি সই করেছেন ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব সান্তোসের সঙ্গে। এই নতুন যাত্রার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ক্লাব পর্যায়ে দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সতীর্থ নেইমারের সঙ্গে একই জার্সিতে মাঠ মাতানোর সুযোগ তৈরি হলো তার। নিজের এই নতুন অধ্যায় নিয়ে উচ্ছ্বসিত কৌতিনহো বলেছেন, এটি যদি স্বপ্ন হয়ে থাকে, তবে তিনি আর কখনো ঘুম থেকে জাগতে চান না।
এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ক্লাবহীন ছিলেন এই তারকা। ২০২৪ সালে নিজের শৈশবের ক্লাব ভাস্কো দা গামায় ফিরে ৮১টি ম্যাচ খেলার পর মানসিক অবসাদের কারণ দেখিয়ে তিনি ক্লাব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। দীর্ঘদিনের সেই অস্থির সময় পেরিয়ে অবশেষে সান্তোসে যোগ দিলেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুতে ভাস্কো দা গামায় খেললেও পরবর্তীতে ইউরোপে ইন্টার মিলান হয়ে ২০১৩ সালে লিভারপুলে নাম লেখান কৌতিনহো। অ্যানফিল্ডে কাটানো সময়ে ২০১টি ম্যাচ খেলে তিনি ৫৪টি গোল করেছিলেন।
লিভারপুলের পারফরম্যান্স তাকে নিয়ে যায় সাফল্যের শীর্ষে। ২০১৮ সালে রেকর্ড ১৪২ মিলিয়ন পাউন্ড ট্রান্সফার ফি-তে তিনি যোগ দেন স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনায়। তবে বার্সার জার্সিতে নিজের ফর্ম ধরে রাখতে না পারায় পরবর্তীতে বায়ার্ন মিউনিখ, অ্যাস্টন ভিলা এবং আল-দুহাইলের মতো ক্লাবে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। সবশেষ ইউরোপীয় ও আন্তর্জাতিক ফুটবলের বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে তিনি আবারও নিজের দেশ ব্রাজিলের ফুটবলে ফিরে এলেন। চাকরির আরও তথ্য: অ্যানফিল্ডে ২০১ ম্যাচে ৫৪ গোল করেন তিনি। চাকরির আরও তথ্য: ইউরোপের আলোঝলমলে মঞ্চ থেকে অনেক দূরে হলেও ফুটবলের রোমাঞ্চ ফুরিয়ে যায়নি।

