দুই গোলে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। তবে দারুণ এক আক্রমণ শানিয়ে ব্যবধান কমিয়ে এনেছে জর্ডান। দলটির হয়ে গোলটি করেছেন মুসা আল তামারি।
মাঠের ডান প্রান্ত দিয়ে দ্রুতগতির একটি আক্রমণ থেকে নিচু ক্রস আসে আর্জেন্টিনার পেনাল্টি বক্সে। সেই বলে নিখুঁতভাবে পা ছুঁইয়ে জালে জড়িয়ে দেন আল তামারি। এই গোলের মাধ্যমে এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের দেয়াল ভাঙতে সক্ষম হলো জর্ডান।
ম্যাচজুড়ে পুরোটা সময় আধিপত্য ছিল আর্জেন্টিনার। শুরু থেকেই বল নিজেদের দখলে রেখে একের পর এক আক্রমণ সাজিয়েছেন লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।
খেলার ১৯তম মিনিটে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে পাওয়া ফ্রি-কিক থেকে চমৎকার গোল করে দলকে এগিয়ে দেন জিওভানি লো সেলসো। তার এই নিখুঁত শট জর্ডানের গোলরক্ষককে কোনো সুযোগই দেয়নি।
এরপর ম্যাচের ৩০তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লাউতারো মার্তিনেজ। অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে এই ম্যাচে বিশ্রামে রাখা হয়েছিল, যার ফলে স্পট কিকের দায়িত্ব পান লাউতারো। তিনি কোনো ভুল না করে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন।
কোচ লিওনেল স্কালোনি আগের ম্যাচের একাদশে বেশ কিছু পরিবর্তন এনে এই ম্যাচে দল সাজিয়েছেন। মেসিকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখলেও প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা মাঠ জুড়ে দাপট দেখিয়েছে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আল তামারির গোলে ম্যাচটিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
এখন দেখার বিষয়, শেষ সময়ের এই লড়াইয়ে আর্জেন্টিনা তাদের লিড ধরে রাখতে পারে কি না, নাকি জর্ডান ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচে সমতা ফেরায়।
