সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়নের দাবিতে জাতীয় সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধীদলীয় জোটের সদস্যরা। সোমবার রাত ৯টার পর এই ওয়াকআউটের ঘটনা ঘটে। সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এই পদক্ষেপের কারণ ব্যাখ্যা করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ এবং সংসদ সদস্যরা দুটি করে ব্যালট নিয়েছিলেন। তখন সরকারি দলের নেতা ও প্রধানমন্ত্রীসহ সবাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই সময়ের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নেওয়ার কথা ছিল। বিরোধী দলের ৭৭ জন সদস্যই দুটি শপথ নিয়েছেন, কিন্তু সরকারি দল শুধু সংসদ সদস্যের শপথ গ্রহণ করেছে, যা তিনি আগে থেকেই জনগণের সামনে স্পষ্ট করেছেন বলে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সংবিধানের ভেতরে গণভোট কমিশনের কোনো উল্লেখ নেই। এছাড়া ২০২৬ সালে উপনির্বাচন বা নির্বাচনের বিষয়টিও সংবিধানে ছিল না। জামায়াত আমির প্রশ্ন তোলেন, ফ্যাসিবাদী সরকার বিদায় নেওয়ার পর জনগণের অভিপ্রায়ে গঠিত সরকারের নির্দেশে যে গণভোট ও সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, তা যদি বৈধ হয়, তবে সংবিধান সংস্কারের বিষয়টি কেন এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। তিনি বিষয়টিকে ‘গোশত হালাল আর ঝোল হারাম’ হওয়ার সাথে তুলনা করে সরকারের দ্বিমুখী অবস্থানের সমালোচনা করেন।
সংবিধানে তো ২৬ সালে নির্বাচন হওয়ার কথা না, সেটা ২৯ সালে হওয়ার কথা।
