হুইপ অপুর নেতৃত্বে শরীয়তপুরের উন্নয়ন স্পষ্ট: আইনজীবী কামরুল হাসান

জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপুর সুযোগ্য নেতৃত্বে শরীয়তপুরে উন্নয়নের অগ্রগতি এখন দৃশ্যমান বলে জানিয়েছেন অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ কামরুল হাসান। তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৮ সালের নৃশংস ও বর্বরোচিত হামলার শিকার হওয়া, দীর্ঘ আট বছর কারাবরণ এবং কারাগারে বিনা চিকিৎসায় বন্দি থাকার কঠিন সময় অতিক্রম করে তিনি এই জনপদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। অপুর ওপর চালানো সেই ভয়াবহ হামলার স্মৃতি আজও জেলাবাসীর হৃদয়ে গভীর ক্ষত তৈরি করে রেখেছে।

বর্বরোচিত সেই হামলার ঘটনার স্মৃতিচারণ করে কামরুল হাসান বলেন, ২০১৮ সালে রাজনৈতিক প্রতিশোধের অংশ হিসেবে মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপুর ওপর যে অন্যায় ও পাশবিক হামলা চালানো হয়েছিল, সেই কালো অধ্যায় আজও তাঁকে গভীরভাবে ব্যথিত করে। একজন রাজনৈতিক নেতার জীবনে এমন প্রাণঘাতী হামলা এবং পরবর্তী সময়ে আট বছরের দীর্ঘ কারাবাসের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত কষ্টকর। তবে এসব অন্যায় সহ্য করেও তিনি জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম থেকে পিছপা হননি।

মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপুকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড এবং জিয়া পরিবারের গভীর আস্থাভাজন নেতা হিসেবে উল্লেখ করেন জেলা বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি জানান, শরীয়তপুরের মানুষের কাছে অপুর স্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শ্রদ্ধার। দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র সাত মাসের ব্যবধানেই তাঁর হাত ধরে জেলায় যে উন্নয়নের সূচনা হয়েছে, তা স্থানীয় সাধারণ মানুষের চোখে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

শরীয়তপুরের সাম্প্রতিক অবকাঠামোগত ও সামগ্রিক অগ্রগতি প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান বলেন, জেলায় উন্নয়নের মহাবিপ্লব ঘটবে—এটি কেবল মুখের কথা নয়, বরং বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। এই অগ্রযাত্রাকে টেকসই ও আরো বেগবান করতে হলে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা এবং সবার সম্মিলিত সহযোগিতা বজায় রাখা একান্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে কোনো ধরনের অপপ্রচার না চালিয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

জেলা আইনজীবী সমিতির এই সভাপতি আরও জোর দিয়ে বলেন, শরীয়তপুরের এই অপ্রতিরোধ্য উন্নয়নযাত্রায় দল-মত ও ব্যক্তিগত বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে পাশে থাকতে হবে। জেলার সার্বিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে গঠনমূলক আলোচনা ও সহযোগিতার মাধ্যমে উন্নয়ন পথকে আরও গতিশীল করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। উল্লেখ্য, অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ কামরুল হাসান শরীয়তপুর জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।