তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, দৈনিক ইনকিলাব দীর্ঘ চার দশক ধরে জনগণের হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। তিনি পত্রিকাটির এই দীর্ঘ ও গৌরবময় পথচলার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর গুলশানের লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলের ‘লা ভিটা’ হলে দৈনিক ইনকিলাবের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শুরুতে দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ আব্দুর মান্নান সাহেবের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচয় ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের স্মৃতি এখনও তাঁর কাছে অত্যন্ত উজ্জ্বল। একটি গণমাধ্যমকে দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে সফলভাবে টিকিয়ে রেখে মানুষের আস্থা অর্জন করার পেছনে প্রতিষ্ঠাতার দূরদর্শী ভূমিকার কথা তিনি কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।
ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, জনগণের কাছে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়া গণমাধ্যমের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। তিনি আরও যোগ করেন যে, এই লক্ষ্যেই সরকার এবং তথ্য মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে গণমাধ্যমের বিবর্তনের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের অনলাইন প্ল্যাটফর্মের গুরুত্ব অনেক বেড়েছে। দৈনিক ইনকিলাবের অনলাইন বিভাগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাঁর ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, পত্রিকাটির প্রিন্ট ও অনলাইন উভয় বিভাগই আগামী দিনে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। তিনি দৈনিক ইনকিলাবের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
দৈনিক ইনকিলাবের ক্রীড়া সম্পাদক ও বিশেষ প্রতিবেদক রেজাউর রহমান সোহাগের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপি এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, দৈনিক ইনকিলাবের নির্বাহী সম্পাদক ও অনলাইন এডিটর ফাহিমা বাহাউদ্দীন, নির্বাহী সম্পাদক নাজিফা বাহাউদ্দীনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং গণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
