২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ক্রোয়েশিয়াকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছে পর্তুগাল। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়েছে একেবারে শেষ মুহূর্তে, যেখানে যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেছেন গনসালো রামোস। বাঁ প্রান্ত থেকে রাফায়েল লিয়াওয়ের বাড়ানো নিখুঁত ক্রসে দুই ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে লাফিয়ে উঠে হেডে বল জালে জড়িয়ে দলকে জয় উপহার দেন রামোস।
ম্যাচের প্রথমার্ধে পর্তুগাল আক্রমণে আধিপত্য বজায় রাখলেও গোলের দেখা পায়নি। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই রাফায়েল লিয়াওয়ের দৌড় থেকে ব্রুনো ফার্নান্দেজ পরপর দুটি শট নিয়েছিলেন, কিন্তু ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক দমিনিক লিভাকোভিচ দুর্দান্ত দক্ষতায় সেই প্রচেষ্টাগুলো রুখে দেন। বিরতির পর ৫৩তম মিনিটে ইয়োসিপ স্তানিসিচের পাস থেকে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে ক্রোয়েশিয়াকে এগিয়ে দেন ইভান পেরিসিচ।
পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফিরতে মরিয়া পর্তুগাল আক্রমণ বাড়ায়। ৬০তম মিনিটে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। তবে আট মিনিট পরেই পেনাল্টি থেকে ঠান্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে দলকে সমতায় ফেরান পর্তুগিজ অধিনায়ক রোনালদো। এটি ছিল বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে তার ক্যারিয়ারের প্রথম গোল এবং চলতি আসরে তার ব্যক্তিগত তৃতীয় গোল।
ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে ক্রোয়েশিয়া এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু মাতেও কোভাচিচের দূরপাল্লার জোরালো শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে আবারও গোল করার সুযোগ ছিল তাদের, তবে পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তা দুর্দান্ত ডাইভে নিশ্চিত গোল ঠেকিয়ে দেন। ৮১তম মিনিটে রোনালদোকে তুলে নিয়ে রুবেন নেভেসকে মাঠে নামান কোচ রবার্তো মার্তিনেজ, যা সময় রোনালদোকে কিছুটা হতাশ দেখাচ্ছিল। শেষ দিকে ক্রোয়েশিয়া অতিরিক্ত সময়ে বল জালে পাঠালেও ভিএআর প্রযুক্তির সহায়তায় অফসাইডের কারণে তা বাতিল করা হয়।
