ইরাকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত মোহাম্মদ শ্রাবনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

ইরাকের বাগদাদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারানো প্রবাসী বাংলাদেশি মোহাম্মদ শ্রাবনের মরদেহ অবশেষে দেশে এসে পৌঁছেছে।

শুক্রবার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ বহনকারী তার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি অবতরণ করে। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ইসলাম ওবায়েদ বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ও গভীর শোকের সঙ্গে মরদেহটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত মোহাম্মদ শ্রাবন মুন্সিগঞ্জ জেলার মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার বকুলতলা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি মোহাম্মদ নলি মিয়ার সন্তান। প্রায় দশ বছর আগে উন্নত জীবনের আশায় তিনি ইরাকের রাজধানী বাগদাদে পাড়ি জমিয়েছিলেন।

সম্প্রতি বাগদাদে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিক্ষিপ্ত একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তার অকাল মৃত্যু হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

বাগদাদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় মোহাম্মদ শ্রাবনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। গত ২৭ মে বাগদাদ বিমানবন্দর থেকে তার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মরদেহটি প্রেরণ করা হয়। এরপর তুরস্কে দীর্ঘ ২৯ ঘণ্টার ট্রানজিট শেষে পুনরায় তার্কিশ এয়ারলাইন্সের আরেকটি ফ্লাইটে শুক্রবার সকালে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর মোহাম্মদ শ্রাবনের মরদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দাফন-কাফনের খরচ বাবদ মৃতের পরিবারের হাতে ৩৫ হাজার টাকার আর্থিক অনুদান তুলে দেন।