আব্বাসউদ্দীন আহমদের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

বাংলা লোকসংগীতের প্রচার ও প্রসারে অনন্য অবদান রাখা কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী ‘লোকগানের সম্রাট’ আব্বাসউদ্দীন আহমদের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ছিল আলোচনা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম। আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হারুন-অর-রশীদ। এছাড়া মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগীতশিল্পী ও গবেষক অধ্যাপক ড. নাশিদ কামাল।

সাংস্কৃতিক পর্বে শিল্পীরা প্রয়াত এই কিংবদন্তির কালজয়ী সব গান পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে রেজাউল করিম লিমন ‘প্রাণ সখীরে, ঐ শোন কদম্বতলে বংশী বাজায় কে’ এবং ‘পরের অধীনে কইরাছে আমায়’ গান দুটি পরিবেশন করেন। এরপর শিল্পী রাহাত আরা গীতি নজরুল সংগীত পরিবেশন করেন।

পর্যায়ক্রমে শিল্পী নোশীন লায়লা গেয়ে শোনান ‘সে যেন কি করলোরে আমায়’ ও ‘আমায় এত রাত কেন ডাক দিলি প্রাণ কোকিলারে’। সালাউদ্দিন আহমদ ‘ভুলে যেও ভুলে যেও’ ও ‘কুঁচবরণ কন্যারে তোর মেঘবরণ কেশ’ গানগুলো পরিবেশন করেন। অধ্যাপক ড. নাশিদ কামাল আব্বাসউদ্দীনের জনপ্রিয় গান ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই’ গেয়ে শোনান। সবশেষে আব্বাসউদ্দীন সংগীত একাডেমির শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ ও ‘বাওকুমটা বাতাস যেমন ঘুরিয়া ঘুরিয়া মরে’ পরিবেশন করেন। উন্মুক্ত এই আয়োজনে বহু সংগীতপ্রেমী মানুষের সমাগম ঘটেছিল।